আমরা Tatuantes- এ লিওনেল মেসির নতুন ট্যাটু নিয়ে আলোচনা করতে বেশ কয়েকটি নিবন্ধ উৎসর্গ করেছি। তবে, আমরা এফসি বার্সেলোনার এই খেলোয়াড়ের কিছু ভক্তদের করা চিত্তাকর্ষক ট্যাটুগুলোর উপর আলোকপাত করিনি। তার সবচেয়ে একনিষ্ঠ অনুসারীদের একজনের কাছ থেকে একটি কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনা আমাদের নজরে এসেছে। ৫৪ বছর বয়সী এক মহিলা মেসির এই চমৎকার ট্যাটুটি করিয়েছেন ।
তার নাম নোরা ফ্রাঞ্চিনি, এবং তিনি নিজেকে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়কের সবচেয়ে বড় ভক্ত বলে মনে করেন। ফ্রাঞ্চিনির পিঠে মেসির যে ট্যাটুটি রয়েছে, সেটি আর্জেন্টাইন এই খেলোয়াড়ের একটি বিশাল ও বাস্তবসম্মত প্রতিকৃতি । ট্যাটুটি, যা ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে, তাতে মেসিকে আলবিসেলেস্তে দলের জার্সি পরা অবস্থায় দেখা যায়। তার আইডলের মুখটি ট্যাটু করানোর জন্য নোরাকে ছয় ঘণ্টার একটি সেশন সহ্য করতে হয়েছিল।

মেসি ভক্তটির নিজের ভাষ্যমতে: “আমি তার কথা ভাবতে ভাবতে আর কাঁদতে কাঁদতে নিজেকে সামলে রেখেছিলাম। ট্যাটুটা করানোর সময় আমি তাকে দেখতে পাইনি; কাজ শেষ করার সময় তাকে দেখি, আর তখনই আবেগে কেঁদে ফেলি। ট্যাটুটা অসাধারণ। আমি মানুষটাকে ভালোবাসি, ফুটবলারকে নয়। বিশ্বকাপে যেদিন তাকে একা বসে কাঁদতে দেখেছিলাম, সেদিনই আমি এটা ট্যাটু করানোর সিদ্ধান্ত নিই। তার প্রতি আমার ভালোবাসা অনেক পুরোনো। আমি জানতাম যে পরের দিন তার নিজের লোকেরাই তাকে ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলবে, তবুও আমি ট্যাটুটা করিয়েছিলাম। আমি মানুষটাকে ভালোবাসি, তাকে, ফুটবলারকে নয়। ”
ফ্রাঞ্চিনি বলেন, তার একমাত্র স্বপ্ন হলো তার আইডলকে আলিঙ্গন করা। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শরীরে ট্যাটু আঁকার ব্যাপারে এই ফুটবলারের যে আবেগ, তা তারও রয়েছে । যেমনটা আমরা এই প্রবন্ধের শুরুতে উল্লেখ করেছি, মেসির শরীরের বিভিন্ন অংশে , বিশেষ করে তার একটি পায়ে এবং একটি হাতে অনেক ট্যাটু রয়েছে। লিও মেসির এই প্রতিকৃতিটি সম্পর্কে আপনার কী মতামত? কমেন্টে আপনার মতামত জানান।
সূত্র - ইনস্টাগ্রাম